ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের ‘অগ্রহণযোগ্য’ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২১ দেশ

  • অনলাইন ডেস্ক | ২২ আগস্ট, ২০২৫
ইসরায়েলের ‘অগ্রহণযোগ্য’ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২১ দেশ ফাইল ছবি

পশ্চিম তীরে বিতর্কিত ই–১ এলাকায় ইসরায়েলের নতুন বসতি নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদনকে ‘অগ্রহণযোগ্য ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ বলে আখ্যায়িত করেছে ব্রিটেন, ফ্রান্সসহ ২১ দেশ।


বৃহস্পতিবার এক যৌথ বিবৃতিতে এসব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলকে সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।


বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা এ সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানাই এবং জোরালোভাবে এর তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার দাবি করছি।’


স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও ইতালিও রয়েছে। এছাড়াও বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জাপান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন এবং ইউরোপীয় কমিশনের পররাষ্ট্রনীতির প্রধানও বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন।


ইসরায়েলের অতি-ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এই পরিকল্পনা ‘ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে বিভক্ত করে দুই রাষ্ট্র সমাধানকে অসম্ভব করে তুলবে এবং জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশাধিকার সীমিত করবে’।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এটি ইসরায়েলি জনগণের জন্য কোনো সুফল বয়ে আনবে না। বরং নিরাপত্তা দুর্বল করবে, সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা বাড়াবে এবং শান্তি থেকে আমাদের আরও দূরে নিয়ে যাবে। ইসরায়েলি সরকার এখনো এ পরিকল্পনা থামানোর সুযোগ রাখে। আমরা তাদের জরুরি ভিত্তিতে এ পরিকল্পনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানাই।’


ইসরায়েলি পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার (৫ বর্গমাইল) জমিতে ৩ হাজার ৪০০টি আবাসিক ইউনিট নির্মাণ করা হবে। এ জমি জেরুজালেম ও মালে আদুমিম বসতির মধ্যবর্তী এলাকা, যা অত্যন্ত সংবেদনশীল বলে বিবেচিত।


১৯৬৭ সাল থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সব ধরনের বসতি আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ বলে গণ্য, তা ইসরায়েলি পরিকল্পনা অনুমোদন পেলেও।


সর্বশেষ এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে রামাল্লাভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।


বৃহস্পতিবার ব্রিটেন এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে লন্ডনে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত তজিপি হতোভেলিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যদি এ বসতি পরিকল্পনা কার্যকর হয়, তা হবে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে দ্বিখণ্ডিত করে দুই রাষ্ট্র সমাধানকে গুরুতরভাবে দুর্বল করবে।’


thebgbd.com/NIT