মধ্যস্থতাকারীদের উত্থাপিত প্রস্তাবের ব্যাপারে ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করেছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজিদ আল-আনসারি বলেছেন, বল এখন ইসরায়েলের কোর্টে এবং তবে মনে হচ্ছে তেলআবিব কোনও যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায় না।
আল জাজিরার বরাত দিয়ে মঙ্গলবার ইরানের বার্তাসংস্থা ইরনা জানিয়েছে, মাজিদ আল-আনসারি বলেছেন- গাজা যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের প্রচেষ্টায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ ব্যাপারে সব প্রচেষ্টাকে আমরা স্বাগত জানাই। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েল এখন আর কোনও পরিকল্পনার প্রতিই সাড়া দিতে চায় না এবং আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলের উপর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানাই।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেছেন, মিশর কিংবা কাতারের কোথায় আলোচনা হচ্ছে তা গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং হামাস যেটাতে সম্মত হবে এবং ইসরায়েলও যা করতে সম্মত হবে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। মাজিদ আল-আনসারি আরও বলেন, বল এখন ইসরায়েলের কোর্টে এবং আমাদের উত্থাপিত প্রস্তাবের প্রতি সাড়া দিতে হবে, কিন্তু মনে হচ্ছে ইসরায়েল কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে চায় না। তিনি আরও বলেন: ইসরায়েলি হামলার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর ফলে ইতিবাচক ফলাফল আসবে না।
ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা বিশেষ করে ইসরায়েলি জিম্মিদের পরিবার বিক্ষোভ করেছে। তারা নেতানিয়াহু মন্ত্রিসভার নীতির প্রতিবাদে টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে। তেলআবিবের বিক্ষোভকারীরা গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা এবং এই অঞ্চলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অবসানের দাবিতে ‘আইলন’ স্ট্রিটসহ বেশ কিছু সড়ক অবরোধ করে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবি এবং ভিডিওতে দেখা গেছে পুলিশ কিছু এলাকায় বিক্ষোভকারীদের উপর হামলা করছে এবং তাদের গ্রেপ্তার করছে। জিম্মিদের পরিবার জোর দিয়ে বলেছে, নেতানিয়াহু কেবল ক্ষমতায় থাকার জন্য জিম্মিদের বলি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একজন জিম্মির মা আইনফ সেঙ্গাভকার বলেছেন, নেতানিয়াহু একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর পথে বাধা সৃষ্টি করছেন এবং আমি ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
সূত্র: আল আরাবিয়া, টাইমস অব ইসরায়েল
এসজেড