বাংলাদেশে চন্দগ্রহণের বিরল দৃশ্যটি ধাপে ধাপে স্পষ্ট হয়েছিল রোববার (৭ আগস্ট) রাত ১১টা ৩০ মিনিটের পর থেকে। মহাকাশপ্রেমীদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে এক দুর্লভ ও চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ২৮ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে পেনামব্রাল গ্রহণ শুরু হয়, যা-
পেনামব্রাল গ্রহণ শুরু: রাত ৯টা ২৮ মিনিট ২৫ সেকেন্ড
আংশিক গ্রহণ শুরু: রাত ১০টা ২৭ মিনিট ৯ সেকেন্ড
পূর্ণ গ্রহণ শুরু: রাত ১১টা ৩০ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড
সর্বোচ্চ গ্রহণ: রাত ১২টা ১১ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড
পূর্ণ গ্রহণ শেষ: রাত ১২টা ৫২ মিনিট ৫১ সেকেন্ড
আংশিক গ্রহণ শেষ: রাত ১টা ৫৬ মিনিট ৩১ সেকেন্ড
পেনামব্রাল গ্রহণ শেষ: রাত ২টা ৫৫ মিনিট ৮ সেকেন্ড
পুরো ৮২ মিনিট ধরে লালচে রঙের ‘ব্লাড মুন’ আলোকিত করছে আকাশ। যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী গ্রহণ।
টাইমঅ্যান্ডডেট.কম-এর তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ এই বিরল দৃশ্য দেখতে পেরেছেন।
তবে চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে যেমন বিস্ময়কর তথ্য রয়েছে, তেমনি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে নানা কুসংস্কার। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এগুলো সম্পূর্ণ ভুল।
জনপ্রিয় মিথ ও সত্য
মিথ: গ্রহণকালে খাবার খাওয়া ক্ষতিকর।
সত্য: চাঁদ পৃথিবীতে কোনো ক্ষতিকর বিকিরণ পাঠায় না। তাই খাবার খাওয়ার সঙ্গে কোনো ঝুঁকি নেই।
মিথ: গর্ভবতী নারী বাইরে বের হলে শিশুর শরীরে দাগ হবে।
সত্য: শিশুর বৈশিষ্ট্য ও শরীরের গঠন শুধু ডিএনএ (DNA) ও বিকাশের ওপর নির্ভরশীল। গ্রহণের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।
মিথ: চন্দ্রগ্রহণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটায়।
সত্য: ভূমিকম্প, বন্যা বা অন্য কোনো দুর্যোগের সঙ্গে গ্রহণের কোনো বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক নেই।
মিথ: গ্রহণ অশুভ বা দুর্ভাগ্য বয়ে আনে।
সত্য: লালচে চাঁদ দেখে মানুষ একে অশুভ ভেবেছে, কিন্তু গ্রহণের সঙ্গে ভাগ্য বা ফসলের কোনো সম্পর্ক নেই।
মিথ: গ্রহণ চোখের জন্য ক্ষতিকর।
সত্য: সূর্যগ্রহণের মতো নয়, চন্দ্রগ্রহণ খালি চোখে একেবারেই নিরাপদে দেখা যায়। কোনো ফিল্টার বা চশমার দরকার নেই।
সূত্র: টাইমস নাউ
thebgbd.com/NA