গাজা সিটিতে ‘আরও শক্তি’ প্রয়োগ করা হবে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি একথা জানিয়েছে। গাজা সিটি বাসিন্দাদের পালিয়ে যাওয়ার জন্য সতর্ক করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ পোস্টে করা এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী একথা জানিয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কর্নেল আভিচায় আদরাই ওই পোস্টে বলেন, হামাসকে পরাজিত করতে প্রতিরক্ষা বাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আর এ লক্ষ্যে গাজা শহর এলাকায় আরও শক্তি প্রয়োগ করা হবে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজা উপত্যকার বৃহত্তম নগর কেন্দ্রের বাসিন্দাদের অন্যত্র চলে যেতে সতর্ক করার পর আদরাই গাজাবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘আল-রশিদ অক্ষের মধ্য দিয়ে অবিলম্বে অন্যত্র সরে যান।’
পশ্চিমা দেশগুলো ও সাহায্য সংস্থাগুলো বারবার অনুরোধ করার পরও শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য ইসরায়েল অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে সেখানে নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করছে।
সোমবার সন্ধ্যায় নেতানিয়াহু এক ভিডিও বিবৃতিতে বলেন, ‘দুই দিনে আমরা ৫০টি সন্ত্রাসী টাওয়ার ধ্বংস করেছি এবং এটি গাজা সিটিতে তীব্র স্থল অভিযানের কেবল উদ্বোধনী পর্যায়। সেখানকার বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলছি, আপনাদের এ অভিযানের ব্যাপাারে সতর্ক করা হয়েছে। আপনারা এখনই অন্যত্র চলে যান! এগুলো কেবলমাত্র অভিযানের সূচনা। আমাদের বাহিনী বড় ধরনের স্থল অভিযানের জন্য সংগঠিত ও একত্রিত হচ্ছে।’
ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস বলেছে, নেতানিয়াহুর এই হুমকি, গাজা শহরের নিরীহ বাসিন্দাদের ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির স্পষ্ট পদক্ষেপ।’ হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বোমাবর্ষণ, গণহত্যা, অনাহার ও মৃত্যুর হুমকির চাপ দেওয়া হচ্ছে। এগুলো আন্তর্জাতিক আইন ও কনভেনশনের প্রতি এক স্পষ্ট ও নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ।’ গাজা বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, গাজা সিটি জুড়ে রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: এএফপি
এসজেড