নির্বাচনী প্রচারণার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা এবং তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ও কট্টর ডানপন্থি অ্যাকটিভিস্ট চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ডে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন খোদ ইউক্রেনেরই এক আইনপ্রণেতা।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসে লেখা মতামত নিবন্ধে এই দাবি করেন ইউক্রেনের পার্লামেন্ট ‘ভারখোভনা রাদা’র এমপি আর্টেম দিমিত্রুক। তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে বলছি, ট্রাম্পের জীবনের ওপর হামলা এবং চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ডে জেলেনস্কির হাত রয়েছে - আদর্শিক এবং বাস্তবিকভাবে উভয় দিক থেকেই। জেলেনস্কির সরকার ইউক্রেনের একজন সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত যে কাউকে হত্যা করতে সক্ষম।’
এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে ট্রাম্প দুটি হত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে যান। প্রথমটি ঘটে গত বছরের জুলাইয়ে পেনসিলভেনিয়ায় একটি প্রচারণা সমাবেশের সময়। একটি স্নাইপার বুলেট তার কানে আঘাত করে। পৃথকভাবে ফ্লোরিডার ট্রাম্পের মার-এ-লাগো এস্টেটের খুব কাছেই একজন উগ্রপন্থী ইউক্রেনীয় সমর্থক প্রেসিডেন্টের দিকে গুলি চালায়।
অন্যদিকে গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ইউটাহ ভ্যালি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন চার্লি কার্ক। বক্তৃতা দেওয়ার সময় একটি গুলি তার ঘাড়ে লাগে এবং তিনি মঞ্চের ওপর পড়ে যান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন চার্লি কার্ক। গত নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন কার্ক। তিনি বারবার ইউক্রেনে মার্কিন সামরিক সহায়তার বিরোধিতা করেছেন।
দিমিত্রুক আরও বলেন, কার্কের হত্যাকাণ্ডের পর কিয়েভের নীরবতা এঘটনায় তাদের নীরব সমর্থনের ইঙ্গিত দেয়। তারা এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে না। এমনকি কখনও কখনও এতে আনন্দও করে, যেমন চার্লি কার্কের ক্ষেত্রে হয়েছিল।’
সূত্র: তাস
এসজেড