হামাস নেতাদের ঘনিষ্ঠ একটি ফিলিস্তিনি সূত্র এএফপি’কে জানিয়েছে, ‘কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নেওয়া হয়নি এবং ‘সম্ভবত আরো দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে’। সূত্রটি জানিয়েছে ‘হামাস নিরস্ত্রীকরণ ধারা এবং হামাসকে বহিষ্কারের মতো কিছু ধারা সংশোধন করতে চায়’।
তারা আরো জানিয়েছে, হামাস মধ্যস্থতাকারীদের ‘গাজা উপত্যকা থেকে সম্পূর্ণ ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা এবং গাজার ভেতরে বা বাইরে হত্যার মাধ্যমে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করবে না’ এই নিশ্চয়তা সম্পর্কে অবহিত করেছে।
গাজা শহরের মাটিতে, আল-শিফা হাসপাতালের প্রাঙ্গণে একটি তাঁবুতে বসবাসকারী ৬০ বছর বয়সী রাবাহ আল-হালাবি অবিরাম বিস্ফোরণের বর্ণনা দেন। তিনি টেলিফোনে এএফপি’কে বলেছেন, ‘আমি যাব না কারণ, গাজা শহরের পরিস্থিতি দক্ষিণ গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি থেকে আলাদা নয়। সব এলাকাই বিপজ্জনক, সর্বত্র বোমাবর্ষণ চলছে এবং বাস্তুচ্যুতি ভয়াবহ ও অপমানজনক। আমরা মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছি অথবা সম্ভবত আল্লাহর কাছ থেকে মুক্তি এবং যুদ্ধবিরতির জন্য অপেক্ষা করছি।’
ফাদেল আল-জাদবা (২৬) বলেছেন, তিনি গাজা শহর ছেড়ে যাবেন না। তিনি বলেছেন, ট্যাঙ্কগুলো তাল আল-হাওয়া এলাকায় রয়েছে এবং তিনি ‘যদি তারা আল-রিমালে’ অগ্রসর হয়, যেখানে তিনি আশ্রয় নিচ্ছেন তাহলে তিনি অবাক হবেন না।
কাতারের রাজধানী দোহায় আলোচনার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র এএফপি’কে জানিয়েছে, ‘হামাসের মধ্যে দু’টি মতামত রয়েছে’।
সূত্রটি জানিয়েছে, ‘প্রথমটি নিঃশর্ত অনুমোদনকে সমর্থন করে, কারণ অগ্রাধিকার হল ট্রাম্পের গ্যারান্টির অধীনে যুদ্ধবিরতি, মধ্যস্থতাকারীরা নিশ্চিত করবে, যে ইসরায়েল পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করবে’। ‘দ্বিতীয়টি মূল ধারাগুলো সম্পর্কে গুরুতর আপত্তি রয়েছে। নিরস্ত্রীকরণ প্রত্যাখ্যান এবং গাজা থেকে যেকোনো ফিলিস্তিনিকে বহিষ্কার করা।
সূত্রটি আরো জানিয়েছে, প্রতিরোধ গোষ্ঠীর দাবির প্রতিফলনসহ শর্তসাপেক্ষ অনুমোদনের পক্ষে’।
সূত্র: এএফপি
এসজেড