ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্য বুধবার গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনাটির পর সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এ খবর জানায়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশজুড়ে অপরাধ দমন অভিযানের মধ্যে এই হামলা নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। মার্কিন গণমাধ্যম জানায়, অভিযুক্ত হামলাকারী একজন আফগান নাগরিক, যিনি ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। তবে কর্তৃপক্ষ এখনও তার পরিচয় প্রকাশ করেনি।
ওয়াশিংটনের মেয়র মুরিয়েল বাউজার বলেন, এটি ছিল পরিকল্পিত হামলা এবং হামলাকারী একাই ছিলেন। তিনি জানান, সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। সিবিএস নিউজকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, হামলাকারীর বয়স ২৯ বছর এবং তিনি হ্যান্ডগান ব্যবহার করেন।
এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, ঘটনাটি সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল বলেন, আহত দুই গার্ড সদস্যের অবস্থা সংকটাপন্ন। তারা ট্রাম্পের নির্দেশে দেশজুড়ে মোতায়েন থাকা ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের অংশ। হামলার পর ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার গভর্নর প্যাট্রিক মরিসি ভুলবশত প্রথমে তাদের নিহত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনা ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফা মেয়াদ শুরুর পর কয়েকটি ডেমোক্র্যাটিক নিয়ন্ত্রিত শহরে সেনা মোতায়েনের পর গার্ড সদস্যদের ওপর সবচেয়ে বড় হামলা। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল ন্যাশনাল গার্ডের ওপর সবচেয়ে গুরুতর হামলা। জানুয়ারিতে তিনি ডেমোক্র্যাট শাসিত শহরে সেনা মোতায়েন শুরু করেন।
ফ্লোরিডায় গলফ ক্লাবে থাকা ট্রাম্প হামলাকারীকে ‘পশু’ বলে আখ্যা দেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশালে লেখেন, সন্দেহভাজনও গুরুতর আহত, তবে তাকে ‘কঠিন মূল্য দিতে হবে।’
সাবেক এফবিআই উপপরিচালক অ্যান্ড্রু ম্যাকক্যাব সিএনএনকে বলেছেন, এই সেনারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রশিক্ষিত নয়। তিনি বলেন, ‘এটি বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।কারণ, আমরা জানি না, তারা সশস্ত্র হামলার মুখে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে।’
সূত্র: এএফপি
এসজেড