ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পরমাণু চুক্তিতে আগ্রহী তেহরান

এক্স-এ এক পোস্টে আরাঘচি লিখেন, ‘হুমকি নয় বরং চাপমুক্ত হয়ে সমতার ভিত্তিতে ইরান একটি কার্যকর পরমাণু চুক্তিতে আগ্রহী।’
  • অনলাইন ডেস্ক | ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
পরমাণু চুক্তিতে আগ্রহী তেহরান ইরান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির মুখে কঠোর অবস্থানের কথা জানাল ইরান। বুধবার তেহরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সামরিক অভিযানের তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দিতে তাদের বাহিনী প্রস্তুত। তবে একইসঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর পথও খোলা রেখেছে দেশটি। প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।


ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক সতর্কবার্তায় বলেন, তাদের বাহিনীর ‘আঙুল এখন ট্রিগারে’ রয়েছে। যেকোনো মার্কিন হামলার ‘শক্তিশালী জবাব’ দেওয়া হবে। তবে ট্রাম্পের সুরেই তিনি একটি সম্মানজনক চুক্তির ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ইরান সব সময় একটি পারস্পরিক লাভজনক ও ন্যায্য পরমাণু চুক্তিকে স্বাগত জানায়।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি লিখেন, ‘হুমকি নয় বরং চাপমুক্ত হয়ে সমতার ভিত্তিতে ইরান একটি কার্যকর পরমাণু চুক্তিতে আগ্রহী। এমন চুক্তি যা ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তির অধিকার নিশ্চিত করবে এবং কোনোভাবেই ‘পারমাণবিক অস্ত্র নয়’ এমন গ্যারান্টি দেবে।’ ইরানের নিরাপত্তা কৌশলে পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো স্থান নেই এবং তেহরান কখনোই তা অর্জনের চেষ্টা করেনি। তবে পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘ দিন ধরেই ইরানের এমন দাবিকে সন্দেহের চোখে দেখে আসছে।


একই সঙ্গে ফ্রান্স ও জার্মানি মিলে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) চাপ দিচ্ছে যেন ইরানের ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস’কে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা আগেই এই বাহিনীকে নিষিদ্ধ করেছে।


অস্থিরতা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এছাড়া কাতার ও মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।


সূত্র: এএফপি


এসজেড