ঢাকা | বঙ্গাব্দ

অনলাইন ক্লাস, ছুটি বৃদ্ধি ও হোম অফিস নিয়ে যা ভাবছে সরকার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মার্চ, ২০২৬
অনলাইন ক্লাস, ছুটি বৃদ্ধি ও হোম অফিস নিয়ে যা ভাবছে সরকার ছবি: সংগৃহীত।

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও অভ্যন্তরীণ চাপ মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন ক্লাস চালু করা, হোম অফিস এবং সাপ্তাহিক ছুটির পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কৃচ্ছ্রসাধনমূলক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে সরকার। এ বিষয়ে আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।


মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, দেশের স্কুলগুলোতে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস একসঙ্গে চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার চিন্তা করা হচ্ছে।


তিনি বলেন, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে এবং অনুমোদন পেলে তা বাস্তবায়ন করা হবে।


জানা গেছে, জ্বালানি তেলের চড়া দাম, আমদানিতে খরচ বৃদ্ধি ও ডলার সংকটের কারণে এমন কৃচ্ছ্রসাধনের কথা চিন্তা করা হচ্ছে। এর আগে করোনাকালের অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে কাজে লাগানো হতে পারে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়ে সরকারি সংস্থাগুলোকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। পরবর্তী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। বিশ্বে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিন মাসের স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি জটিল হলে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী কৌশল নেওয়া হতে পারে।


বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতেও উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। অপ্রয়োজনীয় ঋণ পরিহার ও কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব আছে। যদিও তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছে না সরকার।


ঊর্ধ্বতন এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির অবনতি হলে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের বাইরেও চিন্তা করতে হতে পারে। ছয় মাস বা এক বছর মেয়াদী পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। জানা গেছে, কিছু মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কৃচ্ছ্রসাধনমূলক ব্যবস্থার খসড়া তৈরি শুরু করেছে।


আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটিতে অতিরিক্ত একদিন যোগ করা, সপ্তাহে দুদিন হোম অফিস চালু, অফিস সময় কমানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয়। তবে এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।


thebgbd.com/NA