ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পকে নোবেল কমিটির জবাব

কমিটির কাছে প্রতি বছর হাজার হাজার চিঠি আসে, যারা নিজেদের শান্তির দূত দাবি করেন। সিদ্ধান্ত হয় নোবেলের উইল অনুযায়ী।
  • অনলাইন ডেস্ক | ১০ অক্টোবর, ২০২৫
ট্রাম্পকে নোবেল কমিটির জবাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। যদিও শান্তিতে এবারের নোবেল পাওয়ার জন্য তীব্র আকাঙ্খা ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনা- সমালোচনা শুরু হয়। তবে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্মাননাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার পেলেন না ট্রাম্প। 


শুক্রবার (১০ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়) নরওয়ের রাজধানী অসলোর নোবেল ইনস্টিটিউট থেকে মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নাম ঘোষণা করেন নোবেল শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান জোর্গেন ওয়াটনে ফ্রায়ডেন্স। এসময় এক সাংবাদিক তার কাছে জানতে চান, নোবেল পেতে ট্রাম্প নিজে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও নেতাদের চাপ তাদের পুরস্কার ঘোষণায় কোনো প্রভাব ফেলেছে কি না?


জবাবে ফ্রায়ডেন্স বলেছেন, ‘দীর্ঘ ইতিহাসে নোবেল কমিটি এ ধরনের প্রচারণা ও মিডিয়ার উত্তেজনা দেখেছে। এছাড়া নোবেল কমিটির কাছে প্রতি বছর হাজার হাজার চিঠি আসে, যারা নিজেদের শান্তির দূত দাবি করেন। তবে আমরা শুধুমাত্র ব্যক্তির কাজ এবং আলফ্রেড নোবেলের করা উইল অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেই।’


দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একাধিকবার বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধ থামানোর কৃতিত্ব দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজেই নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবিদারও বলেছেন। এছাড়াও ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়া সাতটি দেশ ও শীর্ষ নেতাদের তালিকা প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস।


এই তালিকায় রয়েছে- আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ, গ্যাবোনের প্রেসিডেন্ট ব্রাইস অলিগুই এনগুয়েমা, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত, রুয়ান্ডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অলিভিয়ার নদুহুঙ্গিরেহে এবং পাকিস্তান সরকার।


সূত্র: এএফপি


এসজেড