ঢাকা | বঙ্গাব্দ

শেষ জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের দাবি

হামাস মুখপাত্র হাজেম কাসেম সোমবার বলেন, মরদেহ উদ্ধার হওয়া ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব শর্তের প্রতি হামাসের অঙ্গীকারেরই প্রমাণ।
  • অনলাইন ডেস্ক | ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
শেষ জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের দাবি রান গিভিলি

ইসরায়েলি বাহিনী গতকাল সোমবার জানিয়েছে, গাজায় সবশেষ জিম্মি থাকা পুলিশ কর্মকর্তা রান গিভিলির মরদেহ দেশে তারা ফিরিয়ে এনেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।


হামাস ২৫১ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে যুদ্ধ চলাকালে যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তির ধারাবাহিকতা, পাশাপাশি সামরিক উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়ে পড়ে। গত ১০ অক্টোবর-এ কার্যকর হওয়া মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে গাজায় জিম্মি হস্তান্তরের ঘটনা চলমান সংঘাত বন্ধের অংশ। যা দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ধ্বংসলীলা অবসানের লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে জিম্মি মুক্তি এবং একটি স্থায়ী শান্তির পথ তৈরির প্রচেষ্টা করা হয়।


সবশেষ এই জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের ফলে গাজা ও মিশরের মধ্যকার প্রবেশদ্বার ‘রাফা ক্রসিং’ সীমিত পরিসরে পুনরায় খুলে দেওয়ার পথ সুগম হল বলে মনে করা হচ্ছে।


ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দেন, সব জিম্মিকে উদ্ধার করা হলে, ইসরায়েলি তল্লাশির শর্তে রাফা প্রবেশদ্বার পুনরায় চালু করা হবে। জিভিলির কফিন সাইরেন বাজিয়ে ও ঝলমলে আলোসহ গাড়ির একটি বহরের মাধ্যমে বহন করা হয়। রাস্তার পাশে ইসরায়েলি নাগরিকরা পতাকা নেড়ে তাকে শেষ বিদায় জানান।


গাজার কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার বাবা ইৎজিক গিভিলি ছেলের কফিনের পাশে ছিলেন। হামাস জানিয়েছে, তারা গিভিলির মরদেহের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করেছে। সংগঠনের মুখপাত্র হাজেম কাসেম সোমবার বলেন, তার মরদেহ উদ্ধার হওয়া ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব শর্তের প্রতি হামাসের অঙ্গীকারেরই প্রমাণ।


সূত্র: এএফপি


এসজেড